বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান সিরিজ ২০২৫: প্রথম ওয়ানডের ফলাফল
ম্যাচ সারাংশ ও প্রেক্ষাপট
২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর, আবুধাবিতে শেইখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান প্রথম ওডিআই ম্যাচে আফগানিস্তান ৫ উইকেটে জয়লাভ করে।
এই সিরিজটি ২০২৫–২৬ সালের আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ ওডিআই সিরিজের প্রথম ম্যাচ।
বাংলাদেশ টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
বাংলাদেশের ইনিংস: ২২১ রানে অলআউট
বাংলাদেশ শুরুতে কিছু ভালো ভিত্তি গড়ার চেষ্টা করে, তবে মাঝ্ধোর সময়ে বেশ কিছু উইকেট হারায়।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বল:
-
তৌহিদ হৃদয় ৮৫ বল খেলে ৫৬ রান করেন।
-
মেহেদী হাসান মিরাজ ৮৭ বল খেলে ৬০ রানের এক ইনিংস খেলেন।
-
অন্যান্য ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স ভালো হয়নি এবং নিচের বিভাগ দ্রুত পতন ঘটে।
বোলিংতে আফগানিস্তানের স্পিনার ও মাঝারি বোলাররা ভালো পরিবেশনায় ছিলেন:
আজমতউল্লাহ ওমরযাই তাঁর ৯ ওভারে ৩ উইকেট নেন।
রশিদ খান ১০ ওভারে ৩ উইকেট নেন।
এএম গাজনফার ৯.৫ ওভারে ২ উইকেট নেন।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ ৪৮.৫ ওভারে ২২১ রানেই অলআউট হয়।
আফগানিস্তানের ইনিংস: নির্ধারক পারফরম্যান্স
লক্ষ্য ছোঁয়ার পথে আফগানিস্তান আক্রমণাত্মক ও ধৈর্যশীল ভঙ্গিতে খেলেছে:
রহমানউল্লাহ গুড়বাজ ও রহমত শাহ গড়ে ভালো শুরু এনে দেন।
রহমত শাহ ৭০ বল খেলে ৫০ রান করেন।
আজমতউল্লাহ ওমরযাই ৪৪ বল খেলে ৪০ রান করেন, এবং ম্যাচের মোমেন্টামকে দিকে ঘুরিয়ে দেন।
-
হাসমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত ৩৩ রান দিয়ে ইনিংস শেষ করেন।
তাদের সংগ্রহ ছিল ২২৬/৫ (৪৭.১ ওভার) — অর্থাৎ লক্ষ্যে পৌঁছাতে ১৭ বল অবশিষ্ট ছিল।
এই জয়ের ফলে আফগানিস্তান সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল।
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন আজমতউল্লাহ ওমরযাই, তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য।
বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন
বাংলাদেশ ইনিংসের মাঝখেলে কিছু ভালো পার্টনারশিপ গড়েছিল, তবে শেষ পর্যায়ে ব্যাটিং পতন ছিল বড় সমস্যা।
তাই বলা যায়, পেস ও স্পিন উভয় বিভাগেই আফগানিস্তানের বোলাররা মাঝারি ও শেষ দিক পর্যন্ত ভালো নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।
ক্যাপ্টেন মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, শুরুতেই বেশ কিছু উইকেট হারিয়েছিল তাদের; এটিই মূল চ্যালেঞ্জ ছিল।
আফগানিস্তানের উদ্যম ও পরিকল্পনা
আফগানিস্তান ম্যাচের মাঝপথে কিছু ভুল করেছে — কিছু উইকেট দ্রুত হারিয়েছেন — তবে আজমতউল্লাহ ওমরযাই ও হাসমতউল্লাহ শহীদি মধ্যেভাগে ইনিংসকে গুছিয়ে তুলে নিয়ে যান।
বিশেষভাবে বল করা যায়, তারা চাপে পড়লেও লড়াই চালিয়ে যেতে পেরেছে — সেই মানসিক শক্তিই বড় অর্জন।
ভবিষ্যত প্রত্যাশা
এই জয় আফগানিস্তানকে আত্মবিশ্বাস দেবে, বিশেষ করে সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে।
বাংলাদেশের জন্য এটা একটা সতর্কতা — তাদের ব্যাটিং এবং মাঝখেলার সিদ্ধান্তগুলোতে আরও স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা দরকার।
